গত ২১ জুলাই ২০২৫ তারিখে উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজের সামনে ঘটে যাওয়া বিমান দুর্ঘটনা শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়—এটি অনেক শিশুর মনে স্থায়ী মানসিক ক্ষত তৈরি করেছে। শিশুরা সেই মুহূর্তে ভয়, বিভ্রান্তি ও বিপদের মুখোমুখি হয়েছে, কেউ আহত হয়েছে, কেউবা নিজের চোখের সামনে দেখেছে ভয়ংকর দৃশ্য। এমনকি অনেকেই নিজের বন্ধুদের বা সহপাঠীদের সহায়তায় উদ্ধার করেছে। এই অভিজ্ঞতা তাদের মনে এমন গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে যা সময়মতো সঠিক সহায়তা না পেলে সুদূরপ্রসারী বিরূপ প্রতিক্রিয়ার শিকার হতে পারে তারা।
এই দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রত্যক্ষদর্শী শিশুরা এখন মানসিকভাবে প্রচণ্ডভাবে বিপর্যস্ত। তারা হয়তো আবারো স্কুলে আসবে, ক্লাসে বসবে, কিন্তু তাদের মনে যে ভয়, যে আতঙ্ক, যে প্রশ্ন—সেগুলো মুছে ফেলা সহজ নয়। এই মানসিক ট্রমা বা আঘাত শিশুদের ঘুম, খাওয়া, পড়ালেখা, আচরণ, আত্মবিশ্বাস, এবং সামাজিকতায় ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এই দুর্ঘটনার সংবাদ গ্রহণ, প্রচার ও পরিবেশনার ক্ষেত্রে আমাদের আত্মসচেতন হতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে।
শিক্ষার্থীদের মানিসক ট্রমা কাটিয়ে উঠতে এখনই জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন। দরকার, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার।
নিচের লিংকে মিডিয়া ও সংবাদকর্মীদের এরকম মুহূর্তে যে সকল বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে তা দেওয়া হলো: https://www.facebook.com/watch/?v=755732084078983&rdid=0MdUxaY8BopOJcQP
ছবি: AFP via Getty Images/BBC Bangla

