ডেঙ্গুতে শিশু সুরক্ষা

পরিস্থিতি প্রতিবেদন- ১৯ ২০ জুন ২০২৩

ডেঙ্গু রোগের মূল লক্ষণ জ্বর। প্রথম দুই থেকে তিন দিন এই জ্বর থাকে, এবং তা ১০২ থেকে ১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে। জ্বরের সঙ্গে গা ব্যথা, চোখের পেছন দিকে ব্যথা, ক্ষুধামান্দ্য, পেটব্যথা, বমি ও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। সেই সঙ্গে অনেক শিশুর গায়ে দানা বা র‍্যাশ দেখা দেয়। নাক বা মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে পারে।

ডেঙ্গুর তিন থেকে আট দিনের সময়কে বলা হয় ‘সংকটকাল বা ক্রিটিক্যাল ফেজ’। জ্বর হলেই সবার আগে ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে। জ্বরের প্রথম দিনে এ পরীক্ষা করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়। জ্বর হলে শিশুকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে। শিশুকে পর্যাপ্ত পানি, খাবার স্যালাইন, ডাবের পানি পান করাতে হবে, যেন অন্তত ৬ বার করে প্রস্রাব করে

জ্বরে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোন ব্যথার ওষুধ দেওয়া যাবে না। কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দেওয়া যেতে পারে। তবে পেটে পানি আসা, পেট ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বমি বা মলের সঙ্গে রক্ত, খিঁচুনি, হাত–পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া হচ্ছে চরম বিপদের আভাস। এসব আলামত দেখা দিলে দেরি না করে শিশুকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিতে হবে।

ছবিসূত্র: ইন্টারনেট

2 thoughts on “ডেঙ্গুতে শিশু সুরক্ষা”

  1. Pingback: অন্যান্য বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি, শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে – Disas

  2. Pingback: ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রের্কড, নারী মৃত্যুহার বেশি – Disaster Forum

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *